Author: কাব্যভুমি Kabyabhumi

href=”‎আমিও সাময়িক ক্ষুধামুক্তির উৎসবে‎সাদা বিড়ালির সুস্বাস্থ্য কামনা করব।‎‎মেঘের শোকসভা ‎বশির আহমেদ ‎‎মৃত্যু একটি গুরুগম্ভীর বিষয় ‎মেঘের শোকসভায় কোন প্রতিবেশী থাকেনা, ‎বাথটাবের সুখ ফুরিয়ে যায় ‎বেসিনের আয়নায় ভাসে অলস্য মুখ‎যারা প্রতিদিন কবর খুঁড়ে- ‎তারাও জানে,নিজের মৃত্যুতে নিজেরা কাঁদে না। ‎মানুষ প্রকারভেদে আনুগত্য হয় ‎কেউ প্রেমের, কেউ সম্মানের। ‎জীবন একটি বর্ণালী কবিতা ‎সস্তা হলেও আত্মার রসায়নে বিকিরণ ঘটে।‎‎হৃদয়ভাঙা গান ‎আইনাল হক ‎‎একদিন তোমার আলিসান বারান্দায়‎মুখ থুবড়ে পড়ে থাকবে প্রতীক্ষিত অপেক্ষা; ‎অভিমানী বাতাসে সম্প্রচারিত হবে বিরহের খবর।‎শিউলি ঝরা রাত, বসন্তের দিন জুড়ে ‎দীর্ঘশ্বাসের পসরা সাজাবে হৃদয়ভাঙা গান,‎বিকলাঙ্গ চাঁদের আলোয় নিজের আঙুলের ছায়া দেখে‎স্বার্থপরতার সূত্র প্রমাণিত হলে‎সমুদ্র ঝড়ে লন্ডভন্ড হবে মনের সীমানা প্রাচীর। ‎ওমন…

Read More

  ‎ক্ষুরধার দ্রোহ, বিষাদগ্রস্ত ও গভীর মনস্তাত্ত্বিক স্বর ‘নিষিদ্ধ রেলিংয়ে সন্ন্যাস’ ‎ তৈমুর খান ‎ ‎​কবি অনন্য কাওছার-এর কাব্যগ্রন্থ ‘নিষিদ্ধ রেলিংয়ে সন্ন্যাস’(ফেব্রুয়ারি ২০২৭) ‎সমকালীন বাংলা কবিতায় এক ক্ষুরধার, বিষাদগ্রস্ত ও গভীর মনস্তাত্ত্বিক স্বর। সমগ্র বইটি জুড়ে ব্যক্তিক বিপন্নতা, রাজনৈতিক ক্ষোভ, সমাজ-বাস্তবতার অবক্ষয়, প্রেমের অতৃপ্তি এবং এক ধরনের অন্তর্মুখী সন্ন্যাস বা নিরাসক্তি পাশাপাশি উঠে এসেছে।  তিনটি পর্যায়ে কাব্যগ্রন্থটির বিষয়ভাবনা, নির্মাণকৌশল এবং শৈল্পিক সীমাবদ্ধতার পূর্ণাঙ্গ ও সংহত মূল্যায়ন করা যায়। ‎  এক.   বহুমাত্রিক কাব্যদর্শন ‎—————————————————- ‎​‘নিষিদ্ধ রেলিংয়ে সন্ন্যাস’ নামটি নিজেই একটি গভীর রূপক বহন করে। ‘নিষিদ্ধ রেলিং’ যেন জীবনের সীমা, সামাজিক বিধিনিষেধ ও ঝুঁকির প্রান্তরেখা; আর সেখানে ‘সন্ন্যাস’ হলো জাগতিক মোহভঙ্গ ও বিচ্ছিন্নতার…

Read More

আমি জানি, ওগো মোর রাণী কেন তুমি বলনা কোন কথা তুমি যে লাজুক লতা আমি বুঝি তোমার আকুলতা। আমার মনের মাঝে তোমার নিক্বণ বাজে শুধু সকাল নয়ত সাঁঝে। কি ভয় তোমার আঁখি মাঝে কোন শুকে তোমার রাত কাটেনা কোন বিরহে সুখ আসেনা সবই বুঝি ঐ মন বাসনা। বাতাসের আহবান আর সমুদ্রের গর্জন সবই জানি এ কিসের আয়োজন, তোমার ঐ কণ্ঠ মাঝে কিসের এত হাহাকার বাজে কোন হতাশায় ভেঙে পরে আপন করে নাও অস্তগামী সূর্যটারে কি কথা হয় ঐ তারার সাথে কেন গড়ায় অশ্রুজল তোমার হাতে সবই বুঝি মোর প্রাণ ভ্রমরা যাবেনা বাঁচা তোমায় ছাড়া। তোমাকে একলা ছেড়ে বল কোথায় যাব…

Read More

সীমাবদ্ধ দার্শনিক নিরাবরণ উপলব্ধি “নিষিদ্ধ রেলিংয়ে সন্ন্যাস” এস এম সেবুল উভয় বাঙলায় প্রতিষ্ঠিত ভাগ্যবান কবি যারা বিকাশমান সময় এবং সময়ের আগামী নির্বিরোধ কণ্ঠস্বর, ভবিষ্যত পাঠকের মস্তিষ্কে হৃদয়ঙ্গম করে আত্মপ্রকাশ করেন, তাদের মতোই আছিরগঞ্জের কবি অনন্য কাওছার। মাত্র কয়েক বছরে তিনি অতিক্রম করেছেন দীর্ঘপথ। প্রযুক্তির সুকল্যাণে জানার সুবিধা সহজলভ্য। সুতরাং আগেকার যাবতীয় সৃজনশীলতা ধরাছোঁয়ার ভেতরে। কবি অনন্য কাওছারের পাঠ্যাভাস চমৎকার এবং বাঙলা সাহিত্যের মেধাবী ছাত্র তিনি। অতিদ্রুত লাইমলাইটে আসছে তার অনবদ্য কবিতার বই “নিষিদ্ধ রেলিংয়ে সন্ন্যাস” সীমাবদ্ধতার সূত্রের বাইরে যাদের অবাধ বিচরণ, কাল থেকে কালে, সময় থেকে সময়ে পৌঁছার দুর্বার মনোবাসনা তাদের দলেরই এক নব্য উচ্চারিত সম্ভাবনাময় কবি তিনি। আমার সম্পাদিত…

Read More

গুচ্ছ কবিতাআব্দুর রাজ্জাক রঞ্জুনিঃসঙ্গতার ক্যানভাসে আঁকা স্মৃতি মনের গহীন থেকে উঠে আসে কিছু অবাধ্য শব্দ কাফনের মত শাদা কাগজের বুকে আলতো ছোঁয়ায় অক্ষর রঙে এঁকে যায় ছবি। সাধ্য কি আছে কারো আজ তারে রুখে? চেনা কোনো অবয়ব নেই,নেই সুর-সংগীতের জপ ;আছে শুধু বিমূর্ত কিছু অনুভূতি —যা কখনো রোদ্দুর, কখনো বা শ্রাবণের মেঘ হয়ে বিচরণ করে। ছিটকে পড়া পারদের মতো বিচ্ছিন্ন কিছু স্মৃতি ;একত্র করার কেউ নেই —দূর থেকে কানে বাজে ভাঙ্গনের গীতি! চৈতালি বাতাসে, ঝরে পড়া পত্রের রোদন ধ্বনি।নিস্তব্ধ রাতের আকাশ যেন এক বিশাল ক্যানভাস যেখানে জলরঙে আঁকা হয় শুধুই দীর্ঘশ্বাস। অন্ধকার বুনেছি হৃদয়ে​কেমন বোকা আমি বলতো?ঘৃণা জন্মানো হৃদয়ে নিরন্তর ভালোবাসা খুঁজি!যে হৃদয়ে জন্ম নিতে পারতো ভালোবাসার ভ্রূণ,বেড়ে উঠতে পারতো মুক্ত…

Read More

গুচ্ছ কবিতা শিশির আজমক্ষুদ্রাকার বইয়ের প্রতি প্রত্যাশাআমার তো এখন বাগানে হাঁটবার কথাঅথবা স্নান করবারকিন্তু আমি বসে আছি টেবিলেক্ষুদ্রাকার এক বইয়ের সামনেমাথায় আসছে না বইটা কেন লেখা হলোলেখক কী প্রত্যাশা করেনভিক্টোর হুগোকে চেনেন তোআর রেনেসাঁ ব্যাপারটা তো জানেনঅতি ক্ষুদ্রাকার আর সাদাসিধে একটা বইয়ের ভিতরধরে নিন আপনি পেয়ে গেছেনআস্ত এক আগ্নেয়গিরিতোআপনার শেখা দরকারঅন্ততএকটা রুটিকীভাবে সেঁকে নিতে হয়পরবর্তী সভায় কথাগুলো তুলবোসত্যি আমি বুঝিনেমানুষ চিরকাল কেন নিজেকে নিয়ে দুশ্চিন্তা করেকেন সে ফিরে দেখে নাদেবদারু পাতায় বাতাসের শিরা-উপশিরার হাবুডুবু মেঘ।অবশ্য মাঝেমধ্যে আমার এরকম মনে হয়েছে যেসমস্যাটা হয়তোমানুষ বললে মানুষকে নিয়েদেবতা বললে দেবতাকে নিয়ে।আমরা কি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবো যেসূর্য কোনদিনই পশ্চিমে ওঠে না?বন্যায় ফসল ভেসে…

Read More

জহির হাসানের কবিতার লাইন আল মাহমুদ ও ফরহাদ মজহার— এই দুইজনের কবিতার লাইনরে ‘ইন্টারসেকশন’ করে। হজরত আল মাহমুদ তান নিকট-দূরের কাব্যপ্রতিভাদের কাছ হইতে একটা সংশ্লেষী ভাব গ্রহণ করছিলেন। তান লেখায় আমের স্ফূর্তি থাকে। বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই, তিনি একটা ‘আধুনিক’ প্রসেসে কাব্য রচনা করতেন। যাতে থাকত ‘শব্দ’ ও ‘মিউজিকের’ দৃশ্যমান প্রয়োগ। হজরত ফরহাদ মজহার আল মাহমুদের কবিতার গুণাবলীরে বহুলাংশেই ধারণ করেন। তদুপরী, রচনায় একটা ভাব-বিশ্লেষণী ধারা তৈয়ার করতে সচেষ্ট হন তিনি। জহির হাসান আল মাহমুদের উপরে উল্লিখিত ‘কৌম চৈতন্যরে’ ধারণ করেন। আর ফরহাদ মজহারের ‘ভাব-বিশ্লেষণী’ ধারারেও নিজস্ব বোঝাপড়ার আলোকে বর্ণিল কইরা তোলেন। কবিতা বিষয়ে জহির হাসানের বোঝাপড়া কেমন! তা বুঝার জন্য,…

Read More

ভালবাসতে পারি না ভালবাসতে বাসতেই পথ হারায়া ফেলি আমার খাসলতের দোষে আমি ভালবাসতে পারি না ভালবাসার আগে আগে ভালবাসা পাইবার সাধ ভালবাসার আগে আগে আমার ইগো দেখতে দেখতেই অন্ধ হয়া পড়ি শুঁকতে শুঁকতেই নিজেরি জাগে ফুল হইবার সাধ ভালবাসতে বাসতেই পথ হারায়া ফেলি আমার খাসলতের দোষে আমি ভালবাসতে পারি না ভিন্ন কোনও কনটেক্সটে তুমি আসতে পারতা জীবনের ভিন্ন কোনও কনটেক্সটে একটা ডিফারেন্ট এইজ গ্যাপ নিয়ে তুমি আসতে পারতা ধরো একুশ বছরের তোমার সাথে চব্বিশ বছরের আমার দেখা হইলো তুমি আসতে পারতা ভিন্ন কোনও মিডিয়ামে ধরো কোনও একটা কাজের উসিলায় আমাদের বারবার দেখা হয় তুমি আসতে পারতা সেই প্যারেলাল ইউনিভার্সে—…

Read More

আজ সকালে তোমার পুরোনো নম্বরে ফোন করলাম।একটি নির্লিপ্ত কণ্ঠ বলল—“এই ব্যবহারকারী বর্তমানে আর কোনো অনুভূতি গ্রহণ করছেন না।” আমি বললাম,“একটা কথা পৌঁছে দেবেন?আমি এখনও অপেক্ষা করছি।” কণ্ঠটি বলল—“দুঃখিত, অপেক্ষার মেয়াদও শেষ হয়েছে।” আমি ফোন কেটে দিলাম।স্ক্রিনে তখনও তোমার নাম জ্বলছিল—একটি নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্টের মতো। ভাবলাম,মানুষ চলে গেলে তার স্মৃতি মুছে যায় না;শুধু সিস্টেম তাকে আর লগ-ইন…  বিস্তারিত পড়ুন »অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় || Kazi Adam The post অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় || Kazi Adam appeared first on Banglasahitya.net.

Read More

যুগল কবিতা হাসনা হেনাহে যুদ্ধ তোমাকে ঘৃণানিপাত যাক ধংস হউক, সব যুদ্ধের ডামাডোল। কানে বাজুক শিশুর কোলাহল, পাখির কল্লোল,খরতাপে নেমে আসুক বৃষ্টির রোল,চাই না যুদ্ধ। হে যুদ্ধ তোমাকে ঘৃণা। বিনা দোষে বলি হয় মানুষ প্রাণিকুল।হাসনা হেনা, রজনী গন্ধা, আরও কত ফুল, চাই না যুদ্ধ, হে যুদ্ধ তোমাকে ঘৃণা। যমে টানে, মানুষে টানে, বাঁচা মরার খেলা চলে। যুদ্ধের ধংস লীলায় মানুষের চমকায় পিলে।রক্ত খায় যে যুদ্ধ, হাড্ডি খায় যে যুদ্ধ, মাংস খায় যে যুদ্ধ চাই না যুদ্ধ হে যুদ্ধ তোমাকে ঘৃণা। বোধ আলোটাকে ঠিক রাখি, ছাউনিটা দেই।ঠিক যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকুই নেই। ভাবতে ভাবতে জীবনকে গুলিয়ে ফেলি যত।যতটুকু ভাবনা ঠিক ততটুকুই ক্ষত।লোভকে আঁকড়ে ধরে তড়িঘড়ি পাওয়া। পাওয়া তো হয় না শেষে, সব হয় হাওয়া। হিসাবটা কষে কষে কাটাই যত বেলা। জীবন…

Read More