Author: admin

কবিঃ এম আর মাহ্ফুজ ‎আমার পছন্দ ছিল বেলি ফুলের নরম সুবাস, ‎তার পছন্দ ছিল আমার দগ্ধ হৃদয়ের দীর্ঘশ্বাস। ‎আমার পছন্দ ছিল বর্ষাকালের প্রথম বৃষ্টিধারা, ‎তার পছন্দ ছিল আমার চোখের নোনা কান্নার ধারা। ‎আমার পছন্দ ছিল একসাথে পথ চলার প্রতিশ্রুতি, ‎তার পছন্দ ছিল মাঝপথে ফেলে যাওয়ার নিষ্ঠুর নীরবতা। ‎আমার পছন্দ ছিল ভালোবাসার অনন্ত উপন্যাস, ‎তার পছন্দ ছিল অসমাপ্ত বিদায়ের শেষ নিশ্বাস। ‎আমার পছন্দ ছিল, “থেকে যাও, আরেকটু পাশে”; ‎তার পছন্দ ছিল,“ভুলে যাও, সবকিছু সময়ে ভাসে।” ‎আমার পছন্দ ছিল বুকভরা রঙিন স্বপ্নের সংসার, ‎তার পছন্দ ছিল প্রতিটি স্বপ্ন ভেঙে করা ছারখার। ‎আমার পছন্দ ছিল তার হাসির একটুখানি কারণ হওয়া, ‎তার পছন্দ ছিল…

Read More

  তুমি লুকিয়ে লুকিয়ে দেখা, এবার সেটা বাদ দাও, আড়াল ছেড়ে সামনে এসে চোখে চোখে কথা দাও। অচেনা সেই দূরত্বগুলো আজ না হয় যাক থেমে, এসো এবার হাতটা বাড়াও, দাঁড়াও আমার প্রেমে। কৃষ্ণচূড়া নয়, এবার দিও একগুচ্ছ লাল গোলাপ, রক্তিম রঙে লিখে দিও ভালোবাসার সেই হিসাব। টকটকে সেই গোলাপজুড়ে থাকুক মনের ভাষা, ফুলের গন্ধে ফিরে আসুক হারিয়ে যাওয়া আশা। এবার না হয় সাহস করে আমিও তোমার কাছে, চুপটি করে থাকব না আর মনের গোপন ভাষে। চোখে চোখ রেখে বলব তোমায়, কোনো দ্বিধা না হোক চলো আবার হাতটা ধরি, আবার আমাদের প্রেম হোক। অস্পষ্ট কোনো বাক্য নয় আর নয় ঘোলাটে দৃষ্টি,…

Read More

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, Ishwar Chandra Vidyasagarলেখক-পরিচিতিঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরজন্ম ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ খ্রিষ্টাব্দের ২৬এ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বংশ পরিচয় তাঁর পিতার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়। মাতার নাম ভগবতী দেবী। তাঁর বংশ পদবি বন্দ্যোপাধ্যায়। পড়ালেখা ঈশ্বরচন্দ্র নিজ গ্রামে পাঠশালায় পাঠ শেষে আট বছর বয়সে পিতার পিতার সঙ্গে কলকাতায় আসেন। সেখানে শিবচরণ মল্লিকের বাড়ির পাঠশালায় এক বছর অধ্যয়ন সম্পন্ন করে তিনি ১৮২৯ খ্রিষ্টাব্দে সংস্কৃত কলেজে ভর্তি হন। এ কলেজে নিরবিচ্ছিন্ন বারো বছর অধ্যয়ন করে তিনি ব্যাকরণ, কাব্য, অলংকার, বেদান্ত,স্মৃতি, ন্যায় ও জ্যোতিষশাস্ত্রে পাণ্ডিত্য অর্জন করেন। উপাধি সকল পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়ে লাভ করেন ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি। চাকরি ও অন্যান্যতিনি ১৮৪১ খ্রিষ্টাব্দে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগে হেড পন্ডিত হিসেবে যোগদান…

Read More

মেরির না-বলা গল্প কবিঃ এম আর মাহফুজ উৎসর্গ সেইসব নারীর প্রতি, যারা দিনের আলোয় হাসেন, কিন্তু রাতের অন্ধকারে নিজের চোখের পানি নিজেই মুছে ফেলেন। সেইসব মায়েদের প্রতি, যারা সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে নিজের কষ্ট গোপন করেন। আর সেইসব মানুষের প্রতি, যারা এখনো বিশ্বাস করেন, একটি ঘর শুধু ইট-পাথরের দেয়াল নয়, একটি ঘর মানে নিরাপত্তা, ভালোবাসা, সম্মান ও শান্তি। প্রস্তাবনা মানুষের জীবনে কিছু দরজা থাকে, যেগুলো বাইরে থেকে খুব সুন্দর দেখায়। দরজার সামনে ফুলের টব থাকে। দেয়ালে সুন্দর রঙ। বারান্দায় বাতাস খেলে। জানালার পর্দা নড়ে। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, এই ঘরের মানুষগুলো পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ। কিন্তু দরজার ভেতরে ঢুকলে…

Read More

‎‎তুমি প্রেম নও, এক প্রফেশনাল ম্যানিপুলেশন কোর্স,‎মুখে শুধু ভালোবাসা, ভেতরে কন্ট্রোল আর ফোর্স।‎একদিন হানি, একদিন আইস, এটাই ছিল তোমার ব্র্যান্ড,‎মানুষ ভাঙার কারিগরিতে ছিলে তুমি এক্সপার্টলি প্ল্যানড।‎‎“আমি ছাড়া তুমি কিছু নও”—এই ছিল তোমার ডায়লগ,‎বাস্তবে তুমি ছিলে ইগোর সাজানো এক ফেক ক্যাটালগ।‎ভালোবাসা নয়, তুমি চালাও ইমোশনাল ট্রাফিক সিস্টেম,‎কারও মন ভেঙে খুঁজে ফেরো নিজের ভ্যালিডেশনের প্রিমিয়াম।‎‎তুমি ছিলে লাইক-কমেন্টের মতো, একদিন খুব অ্যাক্টিভ,‎পরের দিন হঠাৎ গায়েব, পুরোপুরি ইনঅ্যাক্টিভ।‎কখনো কেয়ার, কখনো কোল্ড—এটাই ছিল তোমার ট্রেন্ড,‎মানুষ নয়, তুমি যেন এক চলমান রিলেশনশিপ ইভেন্ট।‎‎আমার অনুভূতি ছিল রিয়েল, তোমার ছিল স্ক্রিপ্টেড শো,‎আমি ছিলাম সিরিয়াস, আর তুমি ছিলে ফিল্টারড ফটো।‎তুমি ভালোবাসা চালাতে ইগোকে বানিয়েছিলে কন্ট্রোল,‎শেষে রেখে গেলে শুধু হারিয়ে…

Read More

‎‎কবি: এম আর মাহ্ফুজ ‎‎ঠোঁটটা দাও না তোমার,একটু নরম অধর ছুঁয়ে,‎জমে থাকা তৃষ্ণাগুলো যাক হৃদয়খানি ধুয়ে।‎দীর্ঘদিনের আকুলতা রাখি তোমারই আশায়,‎একটু মায়া জড়িয়ে দিও নীরব ভালোবাসায়।‎ ‎আমার মন চায় তোমার বুকে মাথা রেখে থাকি,‎সকল ক্লান্তির গল্পগুলো তোমার কাছে রাখি।‎উষ্ণ নিঃশ্বাস ছুঁয়ে যাক এই গভীর শীতল রাত,‎তোমার মায়ায় ছড়িয়ে পড়ুক প্রেমের প্রভাত।‎ ‎আমি যে আজ ভীষণ অসহায়, জানো প্রিয়তমা,‎তোমার নীরব চোখের ভাষা হৃদয়ে আছে জমা।‎ঘুম আসে না, জাগে শুধু তোমার প্রেমের স্মৃতি,‎তোমার কাছে ফিরতে চায় এই অস্থির হৃদয়টি।‎ ‎তোমার নৈকট্যের আকাঙ্ক্ষা জাগে মনে প্রাণে,‎নীরব আগুন জ্বলে থাকে গোপন কোনো ক্ষণে।‎স্পর্শের চেয়েও গভীর হয় তোমার মায়ার টান,‎তোমায় ঘিরেই জেগে থাকে আমার অভিমান।‎ ‎আকাশ…

Read More

কবিঃ এম আর মাহ্ফুজ  ‎আমি হয়তো প্রতিদিন তোমায়দামী কোনো উপহার দিতে পারব না,নতুন নতুন কথার ফুলেপ্রতিদিন তোমায় ভরাতে পারব না।তবু জীবনের সবচেয়ে কঠিন দিনে,‎যখন চারপাশ হবে অন্ধকার,‎তুমি যদি একবার হাত বাড়াও,‎ধরব তোমার হাত বারবার।‎ ‎সুখের দিনে পাশে থাকা‎ভালোবাসার সহজ পরিচয়,‎কিন্তু দুঃখের দিনে পাশে থাকাই‎ভালোবাসার সত্যিকারের জয়।‎ ‎তুমি যখন ক্লান্ত হবে জীবনের পথে,‎চোখে জমবে নীরব জল,‎আমি তখন মাথায় হাত রেখে বলব,‎“চুপ… আমি তো আছি, ‎সব ঠিক হয়ে যাবে, তুমি শুধু একটু শান্ত হও।ভালোবাসা মানে শুধু একসাথে হাসার মুহূর্ত নয়,ভেঙে পড়ার সময় পাশে থাকাওভালোবাসার সবচেয়ে সুন্দর পরিচয়।‎ ‎তোমার আনন্দে আমি হাসব,‎তোমার দুঃখে নীরব হব,‎তুমি যখন হারিয়ে যাবে নিজের ভেতর,‎আমি তোমার পাশে থেকে…

Read More

কবিঃ এম আর মাহ্ফুজ‎ এক বনে বাসা বেঁধেছিল দুটি ময়না পাখি, ‎একজন ছিল প্রাণের প্রিয়, অন্যজন তার সাথী। ‎ছেলে পাখির ভালোবাসা ছিল সীমাহীন টান, ‎মেয়ে পাখির চোখেই যেন খুঁজে পেত প্রাণ। ‎ ‎হঠাৎ একদিন আঘাত এলো নির্মম কোনো ক্ষণে, ‎মেয়ে পাখিটি পা হারালো গভীর ব্যথার টানে। ‎কাঁদতে কাঁদতে বলল সে, “যেও না আমায় ছেড়ে, ‎তুমি ছাড়া এই পৃথিবীটা কীভাবে যাব পেরিয়ে?” ‎ ‎ছেলে পাখি নীরব হলো, চোখে জমল জল, ‎ভালোবাসার গভীরতায় কেঁপে উঠল মন। ‎নিজের দুটি ডানা কেটে বলল ভালোবেসে, ‎“এবার আমি চাইলেও যাব না তোমায় ছেড়ে।” ‎ ‎কী অদ্ভুত সেই ভালোবাসা, কী গভীর তার টান, ‎নিজের ডানা বিসর্জনে রাখল…

Read More

সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে চিন্তাশীল গ্রন্থ ‘জীবন ও গাণিতিক দর্শন’। ৬০ টি নির্বাচিত প্রবন্ধের এই সংকলনে জীবন, দর্শন, গণিত এবং আধুনিক পদার্থ বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়কে সহজ, যুক্তিনির্ভর ও চিন্তাপ্রবণ ভাষায় উপস্থাপন করা হয়েছে। গ্রন্থটি প্রচলিত প্রবন্ধের সীমা অতিক্রম করে পাঠককে সত্য, চেতনা, সময়, বাস্তবতা, মহাবিশ্ব, স্বাধীন ইচ্ছা, গণিতের দর্শন এবং বিজ্ঞানের মৌলিক প্রশ্ন নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে উদ্বুদ্ধ করে। বইটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো জটিল বৈজ্ঞানিক ও দার্শনিক ধারণাকে গল্পধর্মী ও সহজবোধ্য ভাষায় ব্যাখ্যা করা। গণিতকে এখানে কেবল সূত্র ও সমীকরণের বিষয় হিসেবে নয়, বরং প্রকৃতি ও মহাবিশ্বের অন্তর্নিহিত ভাষা হিসেবে দেখানো হয়েছে। একই সঙ্গে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের বিভিন্ন ধারণা এবং মানবজীবনের দার্শনিক প্রশ্নের…

Read More